“জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) ই-রিটার্ন পোর্টালে একবার রিটার্ন সাবমিট করে ফেললে সাধারণত তাৎক্ষণিকভাবে ড্যাশবোর্ডে "Revised Return" বা সংশোধিত রিটার্ন দাখিলের কোনো সরাসরি অপশন থাকে না। পোর্টালে এই সীমাবদ্ধতার কারণে আপনাকে নিচের বিকল্প পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করতে হবে:
ম্যানুয়ালি বা অফলাইনে জমা (সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য):
অনলাইনে দাখিল করা মূল রিটার্নের কপি, একনলেজমেন্ট স্লিপ এবং পূর্বের চালান (যদি থাকে) প্রিন্ট করে নিন।
আয়কর আইন ২০২৩-এর ১৭৫ ধারা (সংশোধিত রিটার্ন) অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সার্কেলের উপ-কর কমিশনার (DCT) বরাবর একটি আবেদনপত্র (Forwarding Letter) লিখুন, যেখানে সংশোধনের কারণ ও কী কী পরিবর্তন করা হয়েছে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে।
সঠিক তথ্য দিয়ে নতুন করে একটি অফলাইন রিটার্ন ফর্ম পূরণ করে আবেদনপত্র ও প্রমাণাদিসহ ক্লায়েন্টের কর সার্কেলে সশরীরে জমা দিন।
অতিরিক্ত কর ও সুদ পরিশোধ (যদি প্রযোজ্য হয়):
সংশোধনের ফলে যদি ক্লায়েন্টের প্রদেয় করের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, তবে সংশোধিত রিটার্ন দাখিলের আগেই বকেয়া কর এবং আইনের বিধান অনুযায়ী প্রযোজ্য সুদ বা জরিমানা এ-চালানের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে এবং চালানের কপি রিটার্নের সাথে যুক্ত করতে হবে।
সার্কেল অফিস থেকে 'Revert' বা 'Drop' করানো:
ভুলটি সাবমিট করার পরপরই ধরা পড়লে দ্রুত ক্লায়েন্টের কর সার্কেলে যোগাযোগ করুন। অনেক ক্ষেত্রে কর কর্মকর্তারা তাদের অভ্যন্তরীণ সিস্টেম (backend) থেকে সাবমিট করা রিটার্নটি ড্রপ বা রিভার্ট করে দিতে পারেন। তারা এটি করে দিলে অনলাইনে পুনরায় ডাটা এডিট করে জমা দেওয়ার অপশনটি আপনার পোর্টালে উন্মুক্ত হয়ে যাবে।
হেল্পডেস্কের কারিগরি সহায়তা:
ই-রিটার্ন সিস্টেমের হেল্পডেস্কে কল করে বা পোর্টাল থেকে সাপোর্ট টিকিট তৈরি করে জানাতে পারেন। অনেক সময় সিস্টেম আপডেটের কারণে নির্দিষ্ট করদাতার জন্য তারা ব্যাকএন্ড থেকে রিভাইজড অপশনটি চালু করে দিতে পারেন।” - এ সংকান্ত ব্লগের জন্য একটি হা্ই রেজুলেশনের ইমেজ তৈরী করে দিন।
No comments:
Post a Comment